ছোট দলের বড় তারকা : ক্রিকেটের এগারো হতভাগা রাজপুত্রের গল্প

মানুষ স্বভাবতই কল্পনাপ্রিয়। আর তার কল্পনায় সে নিজেকে সবসময়ই বড় কোনো পর্যায়ে দেখতে চায়। পৃথিবীতে এমন কোনো মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল যার ক্ষেত্রে এই নিয়মটি খাটবে না। এমনকি একজন নিম্নআয়ের রিকশাওয়ালাও দিনশেষে রীতিমতো ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে লাখপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখে। প্রতিটি পেশাজীবির জীবনেই এটি একটি অনিবার্য,অলিখিত নিয়ম। আর এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে মানুষ নানা সময়ে নানা পথ অবলম্বন করে। কেউ কেউ তো প্রয়োজনে উন্নত জীবনের আশায় স্বদেশ ত্যাগ করে বিদেশ ভুঁইয়ে যেতেও কুন্ঠিত বোধ করে না। তবে মুদ্রার ওপর পিঠে এমন হাজারো চরিত্রেরও দেখা মিলে যাঁরা প্রতিনিয়তই প্রমাণ করে যাচ্ছেন যে, মানুষ চাইলে নিজের দেশে, নিজের অবস্থানে থেকেও খ্যাতি অর্জন করতে পারে।
তাই ক্রিকেট জগতের এমনই এগারোজন সুপারস্টারদের নিয়েই আমাদের আজকের প্রতিবেদন যাঁরা কিনা চাইলেই হয়তো যেকোনো বড় দলের হয়ে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে পারতেন।

১১ | স্টিভ টিকলো

কেনিয়ার এই সাবেক অধিনায়ক নিঃসন্দেহে দেশটির ইতিহাসের সেরা ক্রিকেটারদের একজন। কেনিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের রেকর্ডটি এখনো রয়েছে তাঁরই দখলে। পাশাপাশি দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীও তিনি। দেশের হয়ে টানা ১৮টি বছর খেলে সাক্ষী হয়েছেন দলে বহু ঐতিহাসিক অর্জনের। এরমধ্যে কেনিয়ার হয়ে ২০০৩ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার ঘটনাটি উল্লেখযোগ্য। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে মোট ১৩৫টি ওয়ানডে ও ১৫টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন টিকলো। যেখানে যথাক্রমে করেছেন ৩৪২৮ ও ৩৪৫ রান।

অন্যদিকে দুই ফর্ম্যাট মিলিয়ে ১০৬টি উইকেটও শিকার করেছেন তিনি। ২০০৪ সালে ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর পর বর্তমানে তাসমানিয়ার জাতীয় দলের কোচ হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন তিনি। কেনিয়ার এই কিংবদন্তিও হয়তো চাইলে জোফরা আর্চারদের মতো করে কোনো বড় খেলতে পারতেন।

১০ | পল স্টারলিং

পল স্টারলিংয়ের পরিচয় শুধুমাত্র আয়ারল্যান্ডের ওপেনিং ব্যাটসম্যান, স্পিন অলরাউন্ডার কিংবা সহঅধিনায়ক হিসেবেই নয়, বরং তিনি দেশটির ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন। এছাড়া আইরিশদের ঐতিহাসিক প্রথম টেস্ট ম্যাচের মূল একাদশেরও অন্যতম একজন তিনি। আবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দুইটি আসরে সিলেট এবং খুলনার ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়েও খেলেছেন এই আইরিশ ক্রিকেটার।

অন্যদিকে স্টারলিংয়ের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের পরিসংখ্যানটাও বেশ নজরকাড়া। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফর্ম্যাট মিলিয়ে ৮টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি ৪২টি ফিফটি রয়েছে তাঁর। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে যথাক্রমে তাঁর মোট রান সংখ্যা ১০৪,৪১২১ ও ২১২৪। এদিকে তিন ফর্ম্যাট মিলিয়ে মোট শিকার ৬০টি উইকেট।

৯ | টম কুপার

অস্ট্রেলিয়ান বংশদ্ভূত এই ডাচ ক্রিকেটার একটা সময় অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটের নিয়মিত সদস্য ছিলেন। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে মাতৃভূমির জাতীয় দলে তিনি কখনোই ডাক পাননি। তবে পরবর্তীতে ডাচদের হয়ে তিনি যে চমক দেখিয়েছিলেন, তাতে অবাক না হয়ে পারা যায় না। মাত্র ৬ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার সৌভাগ্য হয়েছিল তাঁর। খেলেছিলেনও মাত্র ২৩টি ওয়ানডে ও ১৮টি টি-টোয়েন্টি। তবে এই অল্পসময়েই ওয়ানডেতে প্রায় হাজার রানের (৯৭৬) মালিক হতে পেরেছিলেন। যেখানে ১টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি ছিল ৮টি ফিফটিও। টি-টোয়েন্টিতেও ছুঁয়েছিলেন ৪০০ রানের কোটা। আবার কখনো কখনো পার্ট টাইম বোলার হিসেবেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৬টি উইকেটেরও দেখা পেয়েছিলেন তিনি।

৮ | রশিদ খান

এই তো মাত্র কয়েকদিন আগেই একটি লাইভ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি ক্রিকেট তারকা মুশফিকুর রহিমকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, সুযোগ থাকলে কোন বিদেশি ক্রিকেটারকে টাইগারদের দলে নিয়ে আসতেন তিনি। উত্তরে মুশি বলেছিলেন, ‘রশিদ খান।’ সত্যিকার অর্থেই, একরকম রূপকথার গল্পের মতো করে ক্রিকেটাঙ্গনে রশিদ খানের উঠে আসা। আবার এর কিছুদিনের মধ্যেই মাত্র ১৯ বছর বয়সে টি-টোয়েন্টি বোলার র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থানটি দখল করে নিয়ে পুরো বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছিলেন তিনি। বর্তমানে বিশ্বের প্রতিটি বিখ্যাত ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগে রশিদ খানকে পেতে মরিয়া হয়ে পড়েন আয়োজকরা। তরুণ এই ক্রিকেটার বর্তমানে ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ অধিনায়ক হিসেবে জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। একইসঙ্গে প্রতিনিয়ত আরো সমৃদ্ধ হয়ে উঠছে তাঁর ক্যারিয়ার স্ট্যাটাস।

৭ | উইলিয়াম পটারফিল্ড

ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ইয়োন মরগানের সঙ্গে বিশ্বকাপের ড্রেসিংরুম পর্যন্ত ভাগাভাগি করেছিলেন এই আইরিশ ক্রিকেটার। আসলে সেসময়টায় খোদ মরগানও খেলতেন মাতৃভূমি আয়ারল্যান্ডের হয়ে। তবে পরবর্তিতে ২০০৯ সালে ইংলিশদের হয়ে খেলার প্রস্তাব পেয়ে তিনি ইংল্যান্ডেই চলে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে তার কিছুদিন পর ঠিক একইরকম প্রস্তাব পেয়েও সেটি গ্রহণ করেননি তাঁরই সতীর্থ উইলিয়াম পোটারফিল্ড।

বরং নিজের দেশকেই টেস্ট স্ট্যাটাস পাইয়ে দিতে চালিয়ে গিয়েছিলেন আপ্রাণ প্রচেষ্টা। এরই ফলশ্রুতিতে ২০১৭ সালে ১২তম দল হিসেবে আইসিসির টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্ত হয় আয়ারল্যান্ড। আর সেই ম্যাচটিতে দলকে নেতৃত্বও দিয়েছিলেন আয়ারল্যান্ডবাসীর কাছে কিংবদন্তি তুল্য ক্রিকেটার, l পোটারফিল্ড নিজেই। এছাড়া তাঁর হাত ধরে আরো বেশ কয়েকটি বড় বড় ট্রফি অর্জন করেছিল আইরিশরা। অথচ এই পোটারফিল্ডই হয়তো এতোদিনে ইংলিশদের হয়ে বিশ্বকাপও পর্যন্ত জিতে ফেলতে পারতেন!

৬ | মোহাম্মদ নবি

আফগান ক্রিকেটের উত্থান পর্বের অন্যতম সেরা নায়কদের একজন হলেন নবি। তিনি একইসঙ্গে দেশের প্রথম ওয়ানডে ও প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলার বিরল রেকর্ডধারী একজন ক্রিকেটার। এছাড়া বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ক্রিকেট লিগ আইপিএলর সুযোগ পাওয়া প্রথম আফগান ক্রিকেটারও তিনি। লম্বা সময় দলকে বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি বিপিএলের সর্বশেষ আসরে রংপুর রেঞ্জার্সকেও নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি।

৫ | শাইমন আনোয়ার

আইসিসির সদরদপ্তরের দেশ সেটি। ক্রিকেটীয় পরাশক্তির অন্যতম দল পাকিস্তানও মরুর দেশ আরব আমিরাতকে লম্বা সময় ধরে নিজেদের হোম গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করে আসছিল। এরই সুবাদ ধীরে ধীরে আলোর মুখ দেখছে আরব আমিরাতের জাতীয় দলটি। এক্ষেত্রে দলটির সবচেয়ে বড় পাওয়া হচ্ছে পাকিস্তানি বংশদ্ভূত আমিরাতি ক্রিকেটার শাইমন আনোয়ার। যিনি কিনা আমিরাতের বহু সাফল্যের পিছনে সংগ্রাম করা একমাত্র ব্যক্তি। এমনকি প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট বিশ্বে এমন একটি ছোট দলের হয়েও খেলে তাঁর ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দুই ফর্ম্যাটেই সেঞ্চুরি রয়েছে। এরমধ্যে ওয়ানডেতে তো বিশ্বকাপের ময়দানেই সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। এছাড়াও দলটির ইতিহাসের বেশিরভাগ ব্যাটিং রেকর্ডই এখন তাঁরই দখলে।

৪ | কেভিন ও’ব্রায়েন

তালিকার উপরের দিকে থাকা পল স্টারলিং কিংবা উইলিয়াম পটারফিল্ডের মতো কেভিন ও’ব্রায়েনও আয়ারল্যান্ডের প্রথম টেস্ট দলের অন্যতম সদস্য। কিন্তু আগ্রাসী মনোভাবের এই পেস অলরাউন্ডারের বেশকিছু কীর্তি তাঁকে তালিকায় থাকা অন্যান্য আইরিশ ক্রিকেটারদের থেকে বড় পর্যায়ে উঠিয়ে রেখেছে। কেভিন ওয়ানডে বিশ্বকাপের দ্রুততম সেঞ্চুরির মালিক।

যেটি তিনি মাত্র ৫০ বলে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১১ সালের অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে করেছিলেন। এছাড়া তিনি সেসব বিরল রেকর্ডধারী ব্যাটসম্যানদের একজন যাঁরা নিজেদের দেশের প্রথম টেস্টেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। আবার দেশের হয়ে তিন ফর্ম্যাটেই সেঞ্চুরিধারী অল্পসংখ্যক ক্রিকেটারদেরও একজন এই আইরিশ সুপারম্যান।

৩ | রায়ান টেন দুশখাতে

দক্ষিণ আফ্রিকান বংশদ্ভূত ডাচ ক্রিকেটার দুশখাতে বর্তমানে ইংল্যান্ডে বসবাস করলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটটা খেলছেন নেদারল্যান্ডের হয়ে। একটা সময় নিজের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে পুরো বিশ্ববাসীর নজর কেড়ে নিতে পেরেছিলেন তিনি। বিশেষত ২০১১ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করে ক্রিকেট পাড়ায় রীতিমতো হৈচৈ ফেলে দিয়েছিলেন। বর্তমানে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের জগতে রায়ান টেন দুশখাতে খুবই পরিচিত একটি নাম।

বিপিএল, আইপিএল, বিগ ব্যাশ, পাকিস্তান সুপার লিগের মতো বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্টগুলোতে প্রায় প্রতিবছরই কোনো না কোনো দলে সুযোগ পেয়ে যান তিনি। এর বাইরে গাজী ট্যাংক ক্রিকেটার্সের হয়ে ২০১৩ সালে বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেট লিগেও খেলেছেন তিনি। সবমিলিয়ে, ইচ্ছা প্রকাশ করলেই হয়তো বড় কোনো দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটটাও খেলতে পারতেন তিনি।

২ | ওলে মটারসেন

তাঁর মতো উচ্চমানের ক্রিকেটার ডেনমার্ক থেকে এখন পর্যন্ত খু্ব সম্ভবত একবারই বেরিয়ে ছিল। তবে তাঁকে প্রায়শই দুর্ভাগাদের মধ্যে এযাবতকালের সেরা ক্রিকেটার হিসেবে অবিহিত করা হয়ে থাকে । কারণ দুর্দান্ত একজন ফাস্ট বোলার হওয়া সত্ত্বেও তিনি কখনোই টেস্ট ক্রিকেট খেলতে পারেননি। তবে ইংলিশ কাউন্টিতে ডার্বিশায়ারের হয়ে টানা ১১ বছর খেলে গিয়েছিলেন। এসময় তাঁর ঝুলিতে মোট ১৪৫টি উইকেট ছিল। এছাড়া পরপর কাউন্টিতে ১১টি মৌসুম খেলে তিনি তখন ক্রিক্রেটকে বিদায় জানিয়ে দেন, তখনো তাঁর বোলিং ইকোনমি ছিল মাত্র ২৫.৫৬! এমনকি সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার হিসেবে অবিহিত স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের নজরেও তাঁর সময়ের শ্রেষ্ঠ বোলার ছিলেন এই মটারসেন। পাশাপাশি সমসাময়িক আরো অনেক ব্যাটসম্যানই নিজেদের সৌভাগ্যবান বলে মনে করতেন কারণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ওলের বল তাঁদের কখনো খেলতে হয়নি।

১ | ক্লেমেন্ট গিবসন

মাত্র কয়েক মাস আগে আইসিসি যখন তার সবগুলো সদস্য দলগুলোকে টি-টোয়েন্টি স্ট্যাটাস দিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন অনেকে সেই তালিকা দেখে এজন্য অবাক হয়েছিলেন কারণ সেখানে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, জার্মানির মতো ফুটবলপ্রেমি দেশগুলোরও নাম ছিল। এরআগে আর্জেন্টিনাও যে ক্রিকেট খেলে তা সাধারণ মানুষদের বোঝানোটাই মুশকিল ছিল। কিন্তু সত্যি বলতে কি, আর্জেন্টাইনরা অনেক আগে থেকেই ক্রিকেট খেলছে। দেশটির কিংবদন্তি ক্রিকেটার ক্লেমেন্ট গিবসন সেরকমই একটি উদাহরণ। তিনি ছিলেন বিশ শতকের অন্যতম সেরা বোলারদের একজন। এছাড়া তিনি নিজের সময়ের সেরা বোলারও ছিলেন বটে।

তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে, টেস্ট তো দূরের কথা, ওয়ানডে ক্রিকেটও কোনোদিন খেলার সুযোগ হয়নি তাঁর। এমনকি অনেক খোঁজাখুঁজির পরও ইন্টারনেট থেকে তাঁর কোনো একক ছবিও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। গিবসন তাঁর পেশাদার ক্রিকেটের প্রায় সব কয়টি ম্যাচই খেলেছিলেন ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেট লিগের দলগুলোর হয়ে। তবে তাঁর খেলায় মুগ্ধ হয়ে ইংল্যান্ডের ক্রিকেট বোর্ড থেকে সেসময় তাঁকে দেশটির জাতীয় দলে খেলানোর প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গিবসন সে প্রস্তাবে সায় দেননি।

খেলা ছাড়ার পর ক্রিকেটের আইনপ্রণেতা সংস্থা মেরিলিবোন ক্রিকেট কমিটির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছিলেন তিনি। আবার আধুনিক ক্রিকেটের জন্মের অনেক আগেই, ১৯৭৬ সালে এই আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি তাঁর শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *