সংক্রমণের হটস্পট চট্টগ্রাম, অবাধে ঢুকছেন আ’ক্রান্তরা

0
8

আ’ক্রান্ত জে’লা থেকে অবাধে প্রবেশের সুযোগে করো’না ভাই’রাস সংক্রমণের ক্ষেত্রে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম হটস্পটে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই দেড়শ থেকে দু’শ করো’না রোগী শনাক্ত হচ্ছে এখানে।হাসপাতা’লেও এখন আর রোগীদের স্থান হচ্ছে না। ১৩০ শয্যার দু’টি হাসপাতা’লের বিপরীতে বর্তমানে রোগী সংখ্যা দু’হাজারের বেশি। আর চিকিৎসা ব্যবস্থাও সীমিত হয়ে যাওয়ায় আ’ক্রান্তসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে ৩ এপ্রিল প্রথম করো’না রোগী শনাক্ত হওয়ার পর এক মাসে রোগী সংখ্যা ছিল মাত্র ৮৯ জন। কিন্তু পরের ২০ দিনে রোগী সংখ্যা দু’হাজারের বেশি। বিশেষ করে ২০ মে’র পর থেকে প্রতিদিন দেড়শো কিংবা তার চেয়েও বেশি রোগী শনাক্ত হচ্ছে চট্টগ্রামে। এর মধ্যে ওই দিনই রোগী সংখ্যা ছিলো ২শ ৫৭ জন।সে অনুযায়ী, চট্টগ্রামকে করো’না সংক্রমণের হটস্পট হিসেবেই চিহ্নিত করছেন সিভিল সার্জন।

সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি বলেন, জনগণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে পারে নাই। তাই আজ এই ভ’য়াবহ পরিস্থিত হয়েছে।নগরীতেই প্রতিদিন দেড়শোর বেশি রোগী শনাক্ত হলেও করো’না বিশেষায়িত হাসপাতাল রয়েছে মাত্র দু’টি। যেখানে আবার শয্যা সংখ্যা মাত্র ১শ ৩০। করো’না ভাই’রাস শনাক্ত হওয়ার পরও রোগী নিয়ে হাসপাতা’লে হাসপাতা’লে ঘুরছে স্বজনেরা। ফলে আ’ক্রান্ত রোগী থেকে সংক্রমণের হারও ক্রমশ বেড়ে চলেছে।

স্বাচিপ সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. আ ন ম মিনহাজুর রহমান বলেন, আড়াই মাস ধরে এসমস্ত গল্প শুনছি। প্রাতিষ্ঠানিক হাসপাতাল হবে, তবে এরকম কিছুই এখনও হয়নি।চট্টগ্রামে করো’না রোগীর সংখ্যা আশ’ঙ্কাজনক হারে বাড়ার বেশক’টি কারণ চিহ্নিত করেছেন চিকিৎসকরা। গার্মেন্টস এবং বেশ কিছু শিল্প প্রতিষ্ঠান খোলা রাখাকে কারণ হিসেবে দেখছেন তারা।

বিএমএ সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. এস এম মুইজ্জুল আকবর চৌধুরী বলেন, রোগী আছে কিন্তু হাসপাতা’লে নেই কোনো বেড। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভ’য়াবহ চিত্র।তবে শেষ পর্যায়ে এসে চট্টগ্রামের বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল হাসপাতাল এবং খুলশীর ইম্পেরিয়াল হাসপাতালকে করো’না রোগীদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল হিসেবে বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here