যেভাবে কাজ করবে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিট

0
9

করোনাভাইরা’স দ্রুত পরীক্ষা করতে র‍্যাপিড কিটের উদ্বোধ’ন করেছে গণ’স্বাস্থ্য কেন্দ্র। এখন এগুলো সরকারে’র কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে পরীক্ষার আগে এই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে চান না সরকা’রি স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে’র প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফ’রুল্লাহ চৌধুরী বিবিসি বাংলা’কে বলেছেন যে তাদের ১০ হাজার কিট প্রস্তুত আছে যার মধ্যে পরীক্ষা’র জন্য কয়েক’শো নিতে পারে সরকার।”এটা দিচ্ছি তারা (সরকার) যাতে কম্পা’রিজন (তুলনা) করতে পারে।”

আশা করা হচ্ছে যে, এই কিট দেয়া’র পর কিছুদিনে’র মধ্যে সরকার চূড়ান্ত অনুমোদ’ন দেবে। অনুমোদন পাওয়া’র পর পর্যায়ক্র’মে এক লাখ কিট দেয়া হবে বলে জানা’নো হয়।

এর আগে গত ২০শে এপ্রিল কিট জমা দেয়ার কথা থাক’লেও বৈদ্যুতিক গোলযো’গের কারণে ল্যাবে যান্ত্রিক ত্রুটি তৈরি হওয়া’য় সেই ব্যাচটি বরবাদ হয়ে যায়। ফলে পুরো ব্যাচ’টিই নতুন’ভাবে তৈরি করতে হয়েছে। যার কারণে ঠিক সময়ে সেগুলো হস্তা’ন্তর করা যায়নি।

১৫ মিনিটের মধ্যেই এই কিট দিয়ে করোনা’ভাইরাস শনাক্ত করা সম্ভব বলে জানান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। গত ১৭ই মার্চ গণ’স্বাস্থ্য কেন্দ্র জানায় যে, করোনা’ভাইরাসে আক্রান্তদের পরীক্ষার জন্য তারা একটি কি’ট তৈরি করেছে। করোনা’ভাইরাস শনাক্ত’করণের ‘জিআর র‌্যাপিড ডট বট ইমিউনোঅ্যাসি’ কিট তৈরি’র জন্য গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের গবেষ’ক দলের নেতৃত্ব দেন ড. বিজন কুমার শীল।

যেভাবে কাজ করবে এই কিট

ব্লাড গ্রুপ যে পদ্ধতি’তে চিহ্নিত করা হয়, র‍্যাপিড ডট ব্লট নামের এই কিট অনেক’টা একই রকম পদ্ধতিতে কাজ কর’বে বলে জানিয়েছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। গণ’স্বাস্থ্য কেন্দ্রের অঙ্গ প্রতি’ষ্ঠান গণস্বাস্থ্য-আরএনএ বায়ো’টেক লিমিটেডে’র গবেষকরা কিটটি তৈরি করেছেন।

গণ’স্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রা’স্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বিবিসিকে বলছেন, বিশ্বের অন্যান্য র‍্যাপি’ড টেস্ট কিট’গুলোয় সাধার’ণত শুধু অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করা হয়ে থাকে – যেটা ভারতে হয়েছে। ফলে সেখানে অ’নেক সময় ভুলভ্রান্তি হতে পারে। ”আমাদের এই কিটে অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেন, দুইটাই পরীক্ষা করা হবে।”

তিনি জানা’ন, সিরিঞ্জের মাধ্যমে তিন সি’সি রক্ত নেয়ার পর সেটা সিরা’ম আর সে’ল আলাদা করে ফেলা হবে। পরে সে’টা থেকে অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেন পরীক্ষা ক’রে দেখা হবে।

সব মিলিয়ে পুরো প্রক্রিয়া’টি সম্পন্ন হতে ১৫ মিনিট সময় লাগ’বে বলে তিনি জানান। এর মধ্যেই বোঝা যাবে যে, রক্ত’দাতা করোনাভাইরাসের পজিটিভ নাকি নেগেটিভ। এই কিটগুলো ব্যবহা’র করে তারা ৯৩ শতাংশের বেশি সাফল্য পেয়েছে’ন বলে জানান।

সংক্রমিত বাংলাদেশিদের রক্তের উপর গবেষণা’র পরই এসব কিট তৈরি করা হয়েছে বলে তিনি জানান। এ’র আগে সরকার ৫টি রক্তের নমুনা পাঠানোর পর সেগুলোর উপর গবেষণা চালানো হয়।

কী সুবিধা দেবে এসব কিট?

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলছেন, “লকডাউন তুলে দেয়ার প’র দেশ বিদেশ থে’কে অনেক মানু’ষ আসতে শুরু করবে। তাদের দ্রুত পরীক্ষা করতে হবে। সেজন্য এই টেস্ট কিটগুলো উপ’কারে আসবে।”

তিনি জানান, এসব ‘কিট ব্যবহার ক’রতে স্বা’স্থ্যকর্মীদের স’হজেই প্রশিক্ষণ দেয়া ‘সম্ভব। ফলে দেশের যেকোনো স্থানে এই কিট ব্যবহার করে করোনা’ভাইরাস ‘রোগী’দের দ্রুত শনাক্ত করা যাবে। বিশেষ করে বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরগুলোয় বেশি কাজে আসবে।

এগুলোর দা’ম কতো হতে পারে, তা এ’খনো নির্ধারণ করা হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here