দাইউস কে? তারা কি জান্নাতে যাবে?

0
8

দাইয়ূস হচ্ছে এমন এক হতভাগা, যাকে জান্নাত থেকে লাল কার্ড তো দেখানোই হয়েছে সাথে আজীবন বহিষ্কারও করা হয়েছে।

কে সেই অভাগা?

যে তার স্ত্রী, মেয়ে এবং তার অধিনস্ত নারীদের পর্দার ব্যপারে সচেতন নয়।

পর্দা মানে শরিয়াহ সম্মত “হিজাব+নিকাব”,রঙের বাহার নয়।

এই ফিল্টারে কত লক্ষ-কোটি নামাজী, হাজী সাহেব, লাট সাহেব, তুমুল জনপ্রিয় নেতা, তারকা আর সাদা-মনের মানুষ যে আটকে যাবে, তার ইয়ত্তা নেই!

আপনি যতই আমলদার হোন, নিজের অধীনস্থ নারীদের পর্দাহীনতার কারণে আপনি আটকে যাবেন। এ এমন এক ধমকি যা চোর, ডাকাতদেরও দেয়া হয় নি, যদিও এগুলোও কবিরা গুনাহ।

নিজের মেয়ে, বোন (যদি অধীনস্থ হয়) এদের ক্ষেত্রে বারবার বুঝানোর পরও তারা না মানলে হয়ত কিছু ওজর পেতে পারেন। যেহেতু, এরা আপনার অধীনস্থ হওয়ার পিছনে আপনার ইচ্ছাশক্তির কোন হাত ছিল না।

তবে, স্ত্রীর ক্ষেত্রে কিন্তু কোন ওজরই পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ তাকে আপনার অধীনস্থ করার ক্ষেত্রে আপনার নিজ ইচ্ছাশক্তির ভূমিকা ছিল। আপনার শুরুতেই উচিত ছিল দ্বীনদারিতা দেখে বিয়ে করা। এটি না মেনে আপনি এক ভুল করেছেন, হয়ত ভেবেছেন বিয়ের পর ঠিক করে নিব।

বিয়ের পরও সে না বুঝলে সেক্ষেত্রে তাকে নিজ অধীনস্থের বাইরে নিতে তালাক দেয়ারও অপশন আছে। সুতরাং, ওজর কোন ভাবেই পাচ্ছেন না।

হয়ত সে পর্দা করে কিন্তু বিশেষ কোন অনুষ্ঠানের সময় বায়না করে, একদিনই তো। আপনিও মন রক্ষার্থে রাজি হয়ে গেলেন। ভাবলেন, একদিনই তো। এই একদিনের কারণেও আপনি হাশরে আটকে যেতে পারেন।

ভাই আমার, একদিনের জন্যও কিভাবে আপনি নিজ স্ত্রীকে হাজারো চোখের লোলুপ আকষর্ণে ছেড়ে দিতে পারেন!! হাজারো চোখের যিনার উপকরণ বানাতে পারেন!!!

যতই শালীন পোশাক পড়ে থাকুক, ইসলমিক পর্দার মধ্যে নেই মানেই, সে অশালীন, বেপর্দা.. আর আপনি দাইয়্যুস। সেটা একদিনের জন্য হলেও।

সময় থাকতে সাবধান হোন ভাইয়েরা। নিজের গাইরতকে জাগিয়ে তুলুন। সত্যিকারের পুরুষ হোন। দুনিয়ায় নিজের আত্মমর্যাদাকে এভাবে বিসর্জন দিয়ে, জাহান্নামের টিকিট হাতে নিয়ে হাশরে কিভাবে দাড়াবেন!!!

মনে রাখবেন, হাশরের ঐ সময় কেউ কারও “প্রাণপ্রিয়” থাকবে না, সবাই হয়ে যাবে একে অপরের প্রতিপক্ষ।

আর বোনেরা, অন্তত নিজের বাবা, ভাই, স্বামীকে জাহান্নাম থেকে বাচানোর জন্য হলেও পর্দাশীল হোন, যদি তাদের সত্যিই ভালবেসে থাকেন। ভালবাসা শুধু মুখের কথায় নয়, কাজেও দেখাতে হয়।

বি.দ্রঃ কেউ আবার ভাববেন না, এখানে তালাককে প্রমোট করা হচ্ছে। তালাক হচ্ছে একমাত্র হালাল কাজ যা আল্লাহর নিকটও অপছন্দনীয়। স্ত্রী বেপর্দায় থাকলে অবশ্যই তাকে শুরুতে ভাল করে বুঝাতে হবে, কিন্তু কোনভাবেই কাজ না হলে শেষ অপশন হিসেবে তালাক রয়েছে৷ তাই, ওজর পাওয়ার উপায় নেই..এটুকুই বুঝনো হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here