ঘূর্ণিস্রোতে ভেসে গেল দুই ফেরি, ভেঙে গেল যাত্রীবাহী লঞ্চের পাখা

0
57

ঘূর্ণিস্রোতের মধ‌্যে পড়ে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি রুটের দুটি ফেরি ও একটি লঞ্চ ভেসে গেছে। ফেরি দুটি ও লঞ্চটিকে উ’দ্ধারে তৎপরতা অব‌্যাহত রয়েছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিআইডব্লিউটিসি কাঁঠালবাড়ি ঘাটের ম্যানেজার আলীম মিয়া এবং বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক প্রফুল্ল চৌহান ঘটনার সত‌্যতা নিশ্চিত করেন। বিআইডব্লিউটিসি কাঁঠালবাড়ি ঘাটের ম্যানেজার আলীম মিয়া জানান, শুক্রবার সকালে শিমুলিয়া ঘাট থেকে রো রো ফেরি শাহ্ মখদুম ও কেটাইপ ফেরি কেমিলিয়া যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে রওনা দেয়। মূল পদ্মায় পৌঁছে তীব্র স্রোতের মুখে পড়ে। কোনমতে ফেরি দুটি বিকল্প চ্যানেলের মুখে পৌঁছায়। সেখানে গিয়ে ঘূর্ণি স্রোতের মধ‌্যে পড়ে। ডুবোচরের কারণে সরু হয়ে পড়া বিকল্প চ্যানেলের মুখে ফেরি দুটি ঢুকতে না পেরে আবার পেছাতে থাকে।

সেসময় স্রোতের তীব্রতায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে ভেসে যায় রো রো ফেরি শাহমখদুম। ফেরিটি উ’দ্ধারে দুটি আইটি জাহাজ পাঠানো হয়েছে। তবে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ফেরিটি উ’দ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আলীম মিয়া আরও জানান, কে-টাইপ ফেরি কেমিলিয়াও প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে ভেসে গেছে। একটি আইটি জাহাজ দিয়ে এই ফেরিটিকেও উ’দ্ধারের চেষ্টা চলছে। উভ’য় ফেরিতে যানবাহন ও যাত্রী রয়েছে।

এদিকে একই ঘাট থেকে প্রায় ২০০ যাত্রী নিয়ে এমএল শ্রেষ্ঠ-২ লঞ্চটি রওনা হয়। স্রোতের তীব্রতায় লঞ্চটির পাখা ভেঙ্গে যায়। নিয়ন্ত্রণ না থাকায় প্রায় সাত কিলোমিটার ভাটিতে ভেসে যায় লঞ্চটি। খবর পেয়ে মালিক পক্ষ দুটি লঞ্চ নিয়ে কেমেলিয়ার যাত্রীদের উ’দ্ধার করেছে। তবে কেমেলিয়াকে উ’দ্ধার করা সম্ভব হয়নি। শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক প্রফুল্ল চৌহান জানান, শুক্রবার ভোরে শিমুলিয়া ঘাট থেকে কাঁঠালবাড়ির উদ্দেশ্যে লা’শবাহী অ্যাম্বুলেন্সসহ অর্ধশত ছোট-বড় যানবাহনসহ ছেড়ে যায় ফেরি শাহ মকদুম। ঘূর্ণি স্রোতের কবলে পড়ে ফেরিটি এখন শরিয়তপুরের সুরেশ্বর পয়েন্টে আ’ট’কে আছে। বিআইডব্লিউটিসির মেরিন বিভাগ ফেরিটি উ’দ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here