ঘূর্ণিঝড় আম্পান যেভাবে বাংলাদেশ অতিক্রম করল

0
6

সমুদ্রের প্রায় ৫ হাজার কিলোমিটার জুড়ে ছিলো আম্পানের বিস্তৃতি। আঘাতের লক্ষ্যবস্তু ছিল ভারত ও বাংলাদেশের বিশাল উপকূল। বাতাসের গতি কিংবা ঢেউয়ের তীব্রতা সবদিক থেকেই বিরল এক ঘূর্ণিঝড় ছিলো সুপার সাইক্লোন আম্পান। তবে এত শক্তিধর আম্পানকেও হার মানতে হয় রয়েল বেঙ্গলের গর্ব সুন্দরবনের কাছে। কিন্তু তারপরেও দেশের বেশ কিছু জায়গায় ঘরবাড়ি ও ফসলি জমির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

সাইক্লোন আম্পান উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক তাণ্ডব চালিয়ে অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী এটির কেন্দ্র এখন রাজশাহী জেলার ভারতীয় সীমান্তবর্তী অঞ্চলে। আম্পানে নওগাঁয় আমের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। লালমোহনের চর শাহজালালের মানুষ সারা রাত জোয়ারে ভেসে ছিলেন। তাছাড়া সাতক্ষীরায় আম্পানের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে আম্পান স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি এখন রাজশাহী-রংপুর হয়ে ক্রমশ উত্তরদিকে সরে যাচ্ছে। এ কারণে রাজশাহী, রংপুর অঞ্চলে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। আগামী কয়েক ঘণ্টা পর এ স্থল নিম্নচাপের কেন্দ্র ক্রমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ হয়ে রংপুরের দিকে চলে যাবে। তবে আগে থেকেই ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে এ অঞ্চলে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হচ্ছে। দিনভর এ অবস্থা থাকবে বলে আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে গত রাত ১০টার পর থেকে রাজশাহী জেলায় শুরু হয় ভারী বর্ষণ। এরপর থেকে মুষলধারে বৃষ্টি চলছে। সেইসঙ্গে বয়ে যাচ্ছে ঝড়ো হাওয়া।

আম্পানের তাণ্ডবে নিহত ১০

ঘূর্ণিঝড় আম্পানে শতাধিক গ্রাম তলিয়ে হাজার হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে আছে। এমন পরিস্থিতিতে কয়েক জেলায় সব মিলেয়ে মারা গেছেন ১০ জন। আহত হয়েছে আরো বেশ কয়েকজন।

চরফ্যাশন, ভোলা ও মনপুরা থেকে সর্বশেষ প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, ট্রলারডুবিতে এক ব্যক্তি মারা গেছে। নিহত ব্যক্তির নাম রফিকুল ইসলাম। তার বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার মনিরাম এলাকায়। ওই ব্যক্তিসহ ৩০ যাত্রী ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে আসেন। এরা লক্ষ্মীপুর জেলার মজুচৌধুরী ঘাট থেকে ট্রলারে করে উত্তাল মেঘনা পাড়ি দিয়ে ভোলায় রওনা দেন। এরপর রাজাপুর সুলতানীঘাটের কাছে এলে ট্রলারটি ডুবে যায়। তখন স্রোতের টানে ভেসে যান রফিকুল ইসলাম।

আরো পড়ুন: ‘আম্পান’ তাণ্ডবে শিশুসহ ৯ মৃত্যু

অন্যদিকে চরফ্যাশন উপজেলায় রেণ্ডিগাছ ভেঙে মাথায় পড়ে ৭০ বছরের বৃদ্ধ সিদ্দিক ফকির মারাত্মক জখম হন। বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ভোলার মনপুরা উপকূলের নিম্নাঞ্চলসহ মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন কলাতলীর চর ও চরনিজামে ৩-৪ ফুট জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে।

আম্পানের প্রভাব সবচেয়ে বেশি আঘাত হেনেছে সাতক্ষীরায়। সাতক্ষীরা শহরের কামাননগর এলাকায় ঝড়ের মধ্যে আম কুড়াতে গিয়ে গাছের ডাল ভেঙে করিমন বিবি (৪০) নামের এক নারী মারা গেছেন।

যশোরের চৌগাছা উপজেলার চানপুর গ্রামে বুধবার রাতে ঝড়ের তাণ্ডবে ঘরের ওপর গাছ পড়ে মা ও মেয়ের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙে পড়া গাছের নিচে চাপা পড়ে মা-মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- ওই গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর স্ত্রী খ্যান্ত বেগম (৪৫) ও তার মেয়ে রাবেয়া (১৩)।

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে পটুয়াখালীতে শিশুসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন- কলাপাড়া উপজেলার লোন্দা এলাকার সিপিপির দলনেতা শাহ আলম মীর (৫০) ও গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি এলাকার ৫ বছরের শিশু রাশেদ।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় বলেশ্বর নদীর অন্তত ১৫০ ফুট বেড়িবাঁধ ভেঙে প্রায় ১০০ হেক্টর জমির সবজি ও অন্যান্য ফসল ভেসে গেছে। বিচ্ছিন্ন দ্বীপ মাঝেরচরের বেড়িবাঁধ ভেঙে হুহু করে এখন বলেশ্বর নদীর বৃদ্ধি পাওয়া পানি ঢুকে পড়ায় চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন সেখানের অন্তত দেড় হাজার মানুষ। সেখানে মঠবাড়িয়া পৌরসভার নির্মাণাধীন একটি ভবনের ওয়াল ভেঙে শাহজাহান মোল্লা (৬০) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে তিনি ওই ওয়ালের পাশে আশ্রয় নিয়েছিলেন।

রাতভর তাণ্ডব চালিয়ে আম্পান এখন একেবারেই দুর্বল

ঘূর্ণিঝড় আম্পান রাতভর তাণ্ডব চালিয়ে এখন অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সকালের দিকে ঘূর্ণিঝড় আম্পান স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়ে আরো উত্তর–পূর্ব দিকে সরে গেছে।

বৃহস্পতিবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দীন আহমেদ এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়ে আম্পান আজ সকাল পৌনে ৯টার দিকে রংপুর অঞ্চলের দিকে অবস্থান করছিল। এটি আরো উত্তর–পূর্ব দিকে সরে যাবে।

সামছুদ্দীন জানান, ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হয়ে যাওয়ায় মোংলা, পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ যেসব এলাকায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ও ৯ নম্বর বিপদ সংকেত ছিল, সেটি তুলে ফেলা হয়েছে। তার পরিবর্তে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

লাখ লাখ গ্রাহক বিদ্যুৎহীন

আম্পানের তাণ্ডবে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে দশলাখেরও বেশি গ্রাহক। উপকূলীয় এলাকায় বুধবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া ঝড়ো হাওয়ার প্রভাবে গাছ পড়ে, তার ছিঁড়ে পড়াসহ বিভিন্ন কারণে ঘণ্টা দেড়েকের মধ্যে উপকূলে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের অন্তত ১৭টি সমিতির এসব গ্রাহক বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

এমতাবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন মেরামতের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে জানিয়ে বিতরণ সংস্থাগুলো বলছে, ঝড় থেমে গেলে আজ বিকালের মধ্যে মেরামত করে সংযোগগুলো চালু করতে পারবে তারা।

আরো পড়ুন: ‘আম্পান’ তাণ্ডবে শিশুসহ ৯ মৃত্যু

আরইবির সদস্য (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অনজন কান্তি দাশ বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গণমাধ্যমকে বলেন, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশালের কিছু অংশ, বাগেরহাট, পিরোজপুর, সাতক্ষীরাসহ উপকূলের ১৭টি সমিতির ৫০ থেকে ৬০ ভাগ লাইন বন্ধ হয়ে গেছে। সংখ্যার বিচারে ১০ থেকে ১২ লাখ গ্রাহকের সংযোগ বন্ধ হয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি। এগুলো আমরা বন্ধ করিনি, ঝড়ের কারণে বন্ধ হয়েছে। অনেক জায়গায় বড় বড় গাছ পড়েছে, অনেক স্থানে তার ছিঁড়েছে।

ভারতের কলকাতায় অন্তত ১২ জনের মৃত্যু

আম্পানের তাণ্ডবে কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল লন্ডভন্ড হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কলকাতার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। এই ঝড়ের তাণ্ডবে রাজ্যে অন্তত ১০ থেকে ১২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ঘূর্ণিঝড় চলাকালীন মমতা সাংবাদিকদের বলেন, আম্পানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের খবর মিলছে। কত যে বাড়ি, নদী বাঁধ ভেঙে গেছে, খেত থেকে সব সর্বনাশ হয়ে গেছে, সেই সংখ্যাটা এখনই বলা যাবে না। ১০ থেকে ১২ জনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। বনগাঁ-হাবড়ায় এখনও তাণ্ডব চলছে। ধ্বংসের পুরো চিত্র বুঝতে ১০-১২ দিন লেগে যাবে। এক দিনে কিছু হবে না।

বাঁধে বাধা মানেনি আম্পান, ভাসল বিস্তীর্ণ উপকূল

উপকূলীয় এলাকার নদ–নদীগুলোতে বুধবার সকাল থেকেই পানি বাড়তে শুরু করে। স্বাভাবিকের চেয়ে পানির উচ্চতা ৫ থেকে ৭ ফুট বেশি ছিল। দুপুরের দিকেই অনেক এলাকায় বাঁধ ভেঙে জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ার খবর পাওয়া যায়। সন্ধ্যায় ভরা জোয়ারের সময় প্রবল বাতাসে বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকা।

বুধবার বিকেলেই জানা যায়, নোয়াখালীর হাতিয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। জোয়ারের তোড়ে বাঁধ ভেঙে বরগুনায় আটটি গ্রাম প্লাবিত হয়। গতকাল সকালেই পায়রা নদীর অধিক উচ্চতার জোয়ারে বরগুনা সদর উপজেলার মাইঠা এলাকার বাঁধের একটি অংশের অন্তত ২০ ফুট বিলীন হয়।

জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা

ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ বর্তমান সাতক্ষীরা ও আশেপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরো উত্তর দিকে যাচ্ছে। কিন্তু ঝড়ের লেজ উপকূলের দিকে থাকায় ১৫ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার (২০ মে) রাতে বলা হয়েছে- ঘূর্ণিঝড় আম্পান আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন করে বর্তমানে সাতক্ষীরা জেলা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড় হিসেবে। এটি আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে বৃষ্টি ঝড়িয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আম্পানের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। সাগর উত্তাল থাকবে।

জামালপুর হয়ে বিদায় নেবে আম্পান

বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ হয়ে সুন্দরবন ঘেঁষে ‌‘আম্পান’ স্থলভাগে উঠে এসেছে। আবহাওয়াবিদদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপকূল পেরিয়ে বিশাল এলাকাজুড়ে আম্পান স্থলভাগের দিকে এগিয়ে যেতে থাকবে। তবে একই সঙ্গে বৃষ্টি ঝরিয়ে এর শক্তি ক্ষয় হয়ে যাবে। আম্পানের একটি অংশ বাংলাদেশের সাতক্ষীরা ও খুলনা অঞ্চল দিয়ে ঢুকে যশোর ও নড়াইল জেলার দিকে চলে যাবে। এই পর্যন্ত এর বাতাসের গতিবেগ হবে ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটারের মতো। সেখান থেকে মাগুরা, গোপালগঞ্জ, রাজবাড়ী, সিরাজগঞ্জ থেকে জামালপুরের দিকে এগিয়ে যাবে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

ক্ষয়ক্ষতি

নওগাঁয় আমের ব্যাপক ক্ষতি

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে নওগাঁয় আমের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আম চাষিরা বলছেন, ঘূর্ণিঝড়ে আম বাগানের প্রায় ৫০ শতাংশ আম ঝরে পড়ে গেছে। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, তারা এখনো ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করতে পারেনি।

বৃ্হস্পতিবার সকালে জেলার সাপাহার ও পোরশা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বাগানে–বাগানে মাটিতে পড়ে আছে ঝরে পড়া আম। ফেটে নষ্ট হয়েছে অনেক আম। কোনো কোনো বাগানে আমের গাছ উপড়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। ডাল ভেঙে পড়েছে অসংখ্য গাছের।

নওগাঁর বদলগাছী আবহাওয়া কার্যালয় সূত্র জানায়, বুধবার রাত একটা থেকে দুইটার দিকে আম্পান নওগাঁয় আঘাত হানে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ৭০-৮০ কিলোমিটার।

নওগাঁর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, জেলায় এ বছর ২১ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। ৪ হাজার ৮০০ আম চাষির প্রায় ৭ হাজার বাগান রয়েছে। প্রতি হেক্টর জমিতে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১৫ মেট্রিক টন। এবার আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩ লাখ ২৫ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ, অর্থাৎ ১ লাখ ৮৫ হাজার আম ঝরে পড়েছে। ভরা মৌসুমে আমের দাম ৪০ টাকা কেজি ধরলে এর দাম প্রায় ১০০ কোটি টাকা।

সাতক্ষীরায় ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা

ঘূর্ণিঝড় আম্পান উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় অনেকক্ষণ ধরেই তাণ্ডব চালিয়েছে। তাই এ জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে আশঙ্কা করছে জেলা প্রশাসন। ঘূর্ণিঝড়ে সাতক্ষীরা পৌর এলাকায় এক নারী গাছের নিচে চাপা পড়ে মারা গেছেন।

জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল বৃহস্পতিবার মুঠোফোনে বলেছেন ঘূর্ণিঝড়ের কারণে জেলার যোগাযোগ নেটওয়ার্ক বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তাই এখনো জেলার ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ চিত্র পাওয়া যায়নি। তবে এখন পর্যন্ত চার উপজেলায় বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here