করোনার সঙ্গে বসবাসের অভ্যাস করুন- ওবায়দুল কাদের

0
7

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আমাদের ভুলে গেলে চলবে না সামান্য উপেক্ষা বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনবে। তাই এখন থেকে সতর্ক থাকতে আমি আবারও সবাইকে অনুরোধ করছি। করোনার সঙ্গে বসবাসের অভ্যাস রপ্ত করতে হবে আমাদের।’

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ ভবনস্থ সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এই রোগ সংক্রমণ থেকে রেহাই পেতে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই কার্যকর পন্থা। এমন সংকটে আমাদের সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলার কোনো বিকল্প নেই। অথচ আমরা লক্ষ্য করছি- সাধারণ ছুটি কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিথিল করার পর বাণিজ্যকেন্দ্র, ফেরিঘাটে, তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য কারখানা এবং সর্বত্র স্বাস্থ্যবিধি, সামাজিক দূরত্ব ও শারীরিক দূরত্ব কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান উপেক্ষিত হচ্ছে।’

এ সময় করোনা ভাইরাস থেকে প্রতিকারে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন সেতুমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিনিয়ত জনগণকে সচেতন থাকতে এবং সংক্রমণ রোধে বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন। তিনি চিকিৎসাসহ সার্বিক পরিস্থিতি গভীরভাবে মনিটর করছেন। আমরাও আমাদের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সক্ষমতা অর্জন করছি। প্রধানমন্ত্রীর আহবানে সাড়া দিয়ে নিজেদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় সবাইকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ করছি।

ঈদ শপিংয়ে মার্কেট না গিয়ে প্রয়োজন পড়লে অনলাইনভিত্তিক কেনাকাটার আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, শপিংমলে যারা সরাসরি কেনাকাটা করছেন সেখানে সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে। প্রযুক্তির সহায়তায় অনেকে অনলাইনে শপিং করছেন। অনলাইনে কেনাকাটার বিষয়টি আজকাল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

সাধারণ রোগীদের সেবার জন্য বেসরকারি ক্লিনিক ও চেম্বার খোলা রাখার আহ্বান জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকদের প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখা, বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসাসেবা পরিস্থিতির কারণে সীমিত হয়ে পড়েছে। এতে সাধারণ মানুষ তথা রোগীরা অন্যান্য রোগের চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এজন্য আমি স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং সুরক্ষাসামগ্রী ব্যবহার করে প্রতিদিন কিছু সময় প্রাইভেট চেম্বারে রোগ দেখতে চিকিৎসকদের অনুরোধ জানাচ্ছি। পাশাপাশি সেসরকারি হাসপাতালগুলোতে সুরক্ষাসামগ্রী ব্যবহার করে চিকিৎসাসেবা চালু করার অনুরোধ জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, অনেকেই হাসপাতালে ঘুরতে ঘুরতে মৃত্যুবরণ করেছেন। সম্প্রতি এক উপসচিবসহ আরও কয়েকটি ঘটনা গণমাধ্যমে এসেছে। যেসব চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট করোনাযুদ্ধে ফন্ট্রলাইনে কাজ করছেন তাদের পাশাপাশি বেসরকারি চেম্বারে রোগী দেখছেন এবং যেসব হাসপাতাল চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রেখেছে তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here