আগামী ২০ বছরের মধ্যে কোন ধরণের প্রযুক্তি, পণ্য/ডিভাইসগুলি মানুষের হাতের নাগালে চলে আসবে

0
26

২০ বছর সময়টা আসলেই খুব বেশি। কারণ ১ বছরেই প্রযুক্তি এতটা এগিয়ে যায়, যে কি বলব! এমনকি ২০১৯ এর শুরুতেই অনেক কোম্পানী ভবিষ্যত প্রযুক্তির প্রোটোটাইপ দেখিয়েছে, ফলে ২০ বছর পর এটি একেবারে মানুষের নাগালের হাতে চলে আসবে এবং আমরা তা প্রতিদিনই ব্যবহার করতে পারব।

আমার মতে এই ৫টি প্রযুক্তি ভবিষ্যতে ব্যবহৃত হতে পারে:

উবার ফ্লাইং টেক্সি

দিন যতই যাচ্ছে, রাইড শেয়ারিং এর জনপ্রিয়তা বেড়ে চলেছে। ২০১৯ সালের প্রথম দিকেই উবার সবাইকে তাদের ফ্লায়িং টেক্সির প্রোটোটাইপ দেখায়, যা এককথায় ভবিষ্যৎ কে নির্দেশ করে।

এটি দেখতে অনেকটা ড্রোনের মত হলেও, আকাড়ে বেশ বড়সড় এবং এর ভেতরে পাইলট সহ আরো ৪ জনের বসার জায়গা আছে। উবার ২০২০ সাল অর্থাৎ আগামী বছরের মধ্যে এটি বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করবে বলে জানা যায়। তো এবার ভবিষ্যতের দিকে মনোযোগ দেই। আরো ২০ বছর পর ফ্লাইং টেক্সি আকাড়ে আরো বড়সড় হতে চলেছে এবং কমদামে এর চড়তে পারা যাবে।

ফলে আরো ২০ বছর পর এটি একেবারে সাধারণ একটি প্রযুক্তি হয়ে পড়বে।

সেল্ফ ড্রাইভিং কার

হ্যা, এটি অনেক জায়গায় ২০১৯ এর আগেই চালু হয়ে গেছে। কিন্তু সমস্যা হলো এটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে ব্যবহার করলে ঝুঁকি থাকে এবং এতে থাকা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সব ধরণের গাড়িতে পৌছাতে পৌছাতে অনেক সময় লাগবে।

কিছুদিন আগেও টেসলার সাইবারট্রাকে এই বৈশিষ্ট্য দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আপনাকে আরো ৭’০০০$ বেশি খরচ করতে হবে।

তবে বর্তমান সময়ের অনেক গাড়িতেই এটি ব্যবহার করা হচ্ছে এবং আগে যেয়েও এটি জনপ্রিয়তা পেতে চলেছে। এমনকি এই বৈশিষ্ট্য’টি থাকার ফলে গাড়ির দুর্ঘটনা অনেকটাই কমে যাবে বলে আমার মনে হয়, যা এই প্রযুক্তিকে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে…

ফোল্ডিং ফোন

ফোল্ডিং ফোন মোটেও পারফেক্ট নয়! এতে প্রচুর ঝামেলা রয়েছে। যেমন: বর্তমান সময়ে আমরা আমাদের কাজ মোবাইলের একটি স্ক্রিনে করে থাকি। কিন্তু ফোল্ডিং ফোনে দুটি স্ক্রিন থাকায় এর বাস্তব জীবনে খুব একটা ব্যবহার ছিল না।

মটো রেজর ২০১৯

এমনকি আর দামও অনেক বেশ। কিন্তু কোন কারণে মানুষ ফোল্ডিং ফোনকে পছন্দ করা শুরু করলো। স্যামসাং গ্যালাক্সি ফোল্ড এবং হুয়াওয়ে মেট এক্স বাজারে আসার মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিক্রি হয়ে গেল। ফলে ভবিষ্যতে আমরা আরো ফোল্ডিং ফোন দেখতে পারব, যা ভবিষ্যতে হয়তবা আমাদের ১ স্ক্রিনের ফোনের সাথে বদল করতে পারে।

অ্যামাজন ড্রোন ডেলিভারি

অ্যামাজনের ভবিষ্যত পরিকল্পনা হলো ড্রোনের সাহায্যে মানুষের কাছে আরো দ্রুত পণ্য পৌছে দেওয়া। ফলে ভবিষ্যতে মানুষের বদলে ড্রোনের মাধ্যমে ঘরের সামনেই পণ্য পাওয়া সম্ভব।

তবে এটা একটু ব্যয়বহূল হয়ে পড়ে, যেখানে অ্যামাজন প্রতিদিন হাজার হাজার অর্ডার পেয়ে থাকে।

হলোলেন্স / ভার্চুয়াল রিয়েলিটি

এই প্রযুক্তিটি ভবিষ্যতে গিয়ে আসলেই খুব ব্যবহারযোগ্য হতে চলেছে। ইঞ্জিনিয়ার বা গেম ডেভেলপাররা এর মাধ্যমে আরো সহজভাবে তাদের কাজ করতে পারবে। এমনকি এর মাধ্যমে এক নতুন গেমিং প্ল্যাটফর্ম তৈরী হতে পারে।

এমনকি এটি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা’তেও কাজে লাগতে পারে। যেমন: বায়োলজি, পদার্থবিজ্ঞান ইত্যাদি বিষয়ে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ভূমিকা রাখতে চলেছে।

সবশেষে, আশা করা যায় যে এসব প্রযুক্তি আগামী ২০ বছরে মানুষ ব্যবহার করতে পারবে এবং মানুষের জীবনকে আরো সহজ করে তুলবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here