অধিকাংশ ক্যাপসুলে দুটি ভিন্ন রং থাকে কেন?

0
19

ক্যাপসুল হচ্ছে এক ধরনের আকারে কঠিন ঔষধ বিতরন ব্যবস্থা, যার আবরণ শক্ত অথবা স্থিতিস্থাপক হতে পারে, যার আকৃতি এবং ধারণ ক্ষমতা বিভিন্ন হতে পারে এবং যার মধ্যে সাধারণত একটি মাত্র ঔষধ উপাদান (কঠিন, তরল বা বায়ুবীয়) ধারণ করে। সাধারণত, ক্যাপসুল মুখে খাওয়া হয়, তবে, পায়ুপথ, যোনিপথ ইত্যাদি পথে প্রয়োগের জন্যও বিশেষ ক্যাপসুল পাওয়া যায়। ক্যাপসুলের শক্ত অথবা স্থিতিস্থাপক আবরণ জিলাটিন নামক প্রোটিন দিয়ে তৈরি। ক্যাপসুল দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো শক্ত জিলাটিন ক্যাপসুল এবং অপরটি স্থিতিস্থাপক জিলাটিন ক্যাপসুল। শক্ত জিলাটিন ক্যাপসুলের ভেতরের সক্রিয় উপাদান কঠিন পদার্থ বা পাউডার হয় এবং স্থিতিস্থাপক জিলাটিস ক্যাপসুলের ভেতরকার উপাদান তরল বা অর্ধতরল হতে পারে।

প্রায় অধিকাংশ মতেই ভিন্ন রং হওয়ার কারণ সম্পর্কে বেশ কিছু সাধারণ মিল খুঁজে পেলাম। সেগুলিই নীচে সাজিয়ে দিলাম।

  • ক্যাপসুলে দেখা যায় দুটি আলাদা রঙের, আলাদা ব্যাসবিশিষ্ট দুটি আলাদা অংশ আছে। অপেক্ষাকৃত বড়ো অংশটিকে বলা হয় ধারক (Container) এবং ছোট অংশটিকে বলা হয় ঢাকনা বা টুপি (Cap)। ক্যাপসুল তৈরির সময় ‘ধারক’টি নীচে রেখে তার মধ্যে ঔষধ উপাদান দেওয়া হয় এবং তারপর ‘ঢাকনা’ বা ‘টুপি’ অংশ দিয়ে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এখন এইদুটি অংশ ভিন্ন রঙের হওয়ার জন্য দুটি অংশকে আলাদা ভাবে শনাক্তকরণ করতে সুবিধা হয়। এর ফলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।
  • দুটি অংশ ভিন্ন রঙের হওয়ার জন্য ফার্মাসিউটিকাল কোম্পানি তথা ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা তাঁদের তৈরি বিভিন্ন প্রকার ক্যাপসুলকে একে অপরের থেকে সহজেই আলাদা ভাবে শনাক্ত করতে পারেন।
  • ওষুধ খেতে আমরা কেউই পছন্দ করি না। কিন্তু বিপাকে পড়লে খেতে হয়। আবার রঙের সমাহার আমাদের বিশেষত বাচ্চাদের আকৃষ্ট করে। ফলে রোগ নিরাময়ে জন্য ভিন্ন ভিন্ন রঙের ক্যাপসুল ওষুধ হিসাবে গ্রহণের জন্য বাচ্চাদের জোরাজুরি করতে হয় না। তাঁরা খুব সহজেই রঙিন ক্যাপসুল গ্রহণ করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here